Thursday, June 25, 2015

আমি ইদানিং বিরক্তিকর চরিত্র হয়ে যাচ্ছি ... বন্ধু-বান্ধব ভুল বোঝা শুরু করেছে, অথবা উলটো করে বলতে গেলে আমি তাদের বুঝতে পারছি না ...

হীনমন্যতা গ্রাস করছে ... হাসলেও সম্ভবত আমাকে বোকার মত লাগে। কারো চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারিনা ... অদ্ভূত! হারিয়ে গেলে কেমন হয়? কিন্তু ... হারিয়ে যেতে হয় কিভাবে তাই তো জানিনা...

একটা গান মনে পড়ছে আইয়ূব বাচ্চু’র:

”যে মানুষটি হারিয়ে যায়, বের করা যায় তাকে খুঁজে
যে মানুষটি পালিয়ে রয়, বের করা যায়না তাকে খুঁজে!
তুমি আমার ভালবাসা নিয়ে হারিয়ে যাওনি, পালিয়ে গেছ দূরে
তোমায় কি করে খুঁজে পাব, একবার বলো!”

(শেষের লাইন দুটি খুব দরকারী না এখনকার মানসিকতার জন্য তারপরেও লিখলাম, নাহলে গান’টার আবেদনটা থাকেনা...)

পালাব নাকি হারাব? বুঝতে পারছি না... পকেট গড়ের মাঠ তাই পালানো/হারানো কোনটাই সম্ভব হচ্ছে না ... :(

এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে সব পরিকল্পনা, দিন-যাপন এমনকি চাওয়া-পাওয়াও!

জীবনের কাছে খুব বেশি চাওয়ার নেই/ছিলনা আমার ... কিছু লোকের কাছাকাছি থাকা, তাদের সাথে খুনসুটি করা ... লাগামহীন গল্প ... কে জানে মাঝে মাঝে পরনিন্দা/পরচর্চা ... নতুন কি আসলো বাজারে তাই নিয়ে হইচই... রাজনীতি যে নীতিহীন হয়ে পড়ছে তা ছক কেঁটে প্রমাণ করা ... চায়ের বিল না দিয়ে পালানোর চেষ্টা করা ... নেট থেকে নামানো মুভি দেখা এইতো ... এইগুলো কি খুব বেশি চাওয়া? তাও যদি ঝাপসা হয়ে আসে, তখন আসলে কেমন লাগে?

সবার কাছে থাকতে চাই ... আমার ভুল হলে না হয় আমি ক্ষমা চেয়ে নেব ... কিছু লোকের কাছে কখনই ছোট হতে লজ্জা করে না আমার ... তারা কিভাবে আমাকে ছেড়ে যাবে আমি দেখে নেব ...

কষ্ট লাগছে, ‘১৩ অক্টোবর’ এমন কিছু আমি লিখব কখনই মনে করিনি ...! :|

Friday, June 12, 2015

ভাবনা

সে মনে সকাল দুপুর রাত্রি উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে প্রশ্ন রা.প্রতিদিন কত বার তার সাথে ঝগড়া বাঁধে! একদিন নীল ঠিক করে গুনবে,কিন্তু কথা হল ঝগড়াতে নাকি ভালবাসা বাড়ে তাই তো বলি মানুষ নিজেকে এত কেন ভালবাসে।নিজের সাথে ঝগড়া করতে করতে কখন যে ভেতরের নীল কে এত ভাল বাসলো বুঝতেই পারলাম না! আচ্ছা অত কথা জেনে লাভ নেই,যেই ভাবা সেই কাজ। ভোরের আলো ফোটার আগেই আজ নীল আগে উঠে ছে আজ তার সে ই হিসাবের দিন, নীল জানালার অপাশে রাস্তা র ধারের ডোবার দিকে তাকিয়ে আছে।ছোট পিচ্চি ছেলেরা যারা এই শীত এ এই ভাপা, এই ভাপা করে পিঠা বিক্রি করে হাঁড়িতে করে, ওরাই নেমেছে ডোবাতে।ওখানে বিশেষ মাছ আছে, পাঁড়ার এক দল ছেলে যারা সন্ধ্যা নামলে গান করত তারা চাষ এর উদ্দেশ্য ছেড়েছে,বিদেশী মাগুর-ওরা নাকি সব খায়!। নীল জোরে চিতকার করছে ছেলে গুলোর উদ্দেশ্য।পিচ্চি গুলোর একটা বেশ ভয় পেয়েছে তবু ও নীল ভয় দেখাচ্ছে আর হাসছে তো হাসছে.....................
                                                                            লেখকঃ সৌখিন বিলাস
পৃথিবীর সব চেয়ে নির্লজ্জ বস্তু হল কষ্ট.... যতই তুমি তাকে দুরে রাখো না কেন, সে বার বার তোমার কাছে ফিরে আসবে!! সুখের কথা কি আর বলবো....... সে তো বড়ই স্বার্থপর!

নষ্ট ছেলে

Posted: Soukhin Bilas প্রেমের কবিতা

একটু পরেই আলোর মশাল
আঁধার ঘিরে নাচবে,
একটা যুবক ইচ্ছে করে
নষ্ট হয়ে বাঁচবে।
ধুঁয়ায় ধুঁয়ায় দুঃখ ছুবে
ঠোঁটের চুড়ায় আগুন রবে
নষ্ট মেয়ের যত্ন করা
আদর ভরা রাত্রে
বরফ কুচি থাকবে বুঝি
মাটির সুরা পাত্রে

তবুও বৃষ্টি !!!

লেখক : Soukhin Bilas
টুপটাপ, টুপটাপ বৃষ্টি ঝরছে। বাসের সীটে এলিয়ে থাকা আমার এই ক্লান্ত শরীরের চোখে মুখে এসে লাগছে বৃষ্টির ঝাপসা। জানালাটা একটু টেনে দিয়ে আবার এলিয়ে দিলাম শরীরটা কে বাসের সিটে। মোবাইলের মৃদু আওয়াজে লাফ দিয়ে উঠলাম। খুশীতে চমকে উঠলাম তোমার এসএমএস! তাড়াহুড়ায় ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করতে গিয়ে দেরি হয়। রাগ হয় নিজের উপরই। একসময় পেয়েও যাই মোবাইলটাকে। কিন্তু নিরাশ হই, নাহ! আমার এসএমএস নয়। বোধহয় অন্যকারও। ভুলে যাই আজ তো তুমি আর আমাকে এসএমএস করো না। ভুলে যায় আমার এ মন যে তুমি আর ফিরবে না। তুমি তো এখন প্রতিপত্তি আর ক্ষমতার লোভে মত্ত উপরে উঠার সিঁড়ি খুঁজতে ব্যস্ত এক মানুষ। আচ্ছা, মনে পড়ে তোমার কোন একদিন তুমি বৃষ্টি হলেই আমাকে এসএমএস করতে, লিখতে আজ এই বৃষ্টির ফোঁটা দেখে তোমায় মনে পড়ছে। কোন একদিন তুমি আমাকে বলেছিলে ঢাকার এই বৃষ্টিভেজা রাজপথে কোন এক সকালে তুমি আর আমি হাঁটবো হাতে হাত রেখে। 
এই তো সেদিন ধানমন্ডি লেকে হাঁটতে হাঁটতে অভিমান করে বলেছিলাম তুমি আমাকে মোটেও ভালবাস না। তুমি আমাকে এই বর্ষায় একটাও কদম ফুল দিলে না। তুমি হেসে উঠে বলেছিলে তবে চল কিনে নয়, এই গাছ থেকেই তোমাকে পেড়ে দেব কদম ফুল ভালবেসে। শুনে আমার সে কি হাসি! তুমি বেশ থতমত খেয়ে তাকিয়েছিলে আমার দিকে। আচ্ছা! তোমার কি সত্যিই মনে পড়ে না পহেলা বৈশাখের সেই কালবৈশাখীর রাতে রিকশার ভেতর মিরপুর রোডে তুমি বিজলী দেখে ভয়ে আমার বুকে মুখ লুকিয়েছিলে। আমি তোমাকে শাড়ির অাঁচলে জড়িয়ে নিয়েছিলাম তোমাকে। মুঠোফোনের কথকথায় রাতে বৃষ্টি হলেই আমাকে চাদর বানিয়ে জড়িয়ে নিতে তোমার শরীরে। আমি যতই বলি একটু ছাড়। তুমি তত বেশি আমাকে জড়িয়ে নিয়ে জম্পেশ ঘুম দিতে। আমি জানি এ সবের কিছুই তোমার আজ আর মনে নেই। সব ভুলে গেছ, তাই না? তুমি যে আজ বড্ড ব্যস্ত উপরে উঠার সিঁড়ি খুঁজতে। কিন্তু আজও বৃষ্টি হয়। আমি আজও কান পেতে রই হয়তো মোবাইলে তোমার এসএমএস আসবে বলে। জানি একদিন তুমি আবার ফিরবে। আমার যে আজও কদমফুলগুলো নেওয়া হয়নি। আমি আজ এটাও জানি তুমি আসবে আমার বর্ষার কদমফুলগুলো হাতে নিয়ে। অভিমান ভাঙিয়ে আমায় ফিরিয়ে নিতে। ততদিন পর্যন্ত শুধুই আমার ছুটে চলা। 
বাস আমাকে নামিয়ে দেয় গন্তব্যে। ঝুম বৃষ্টি। আমি বৃষ্টির মাঝে নিজেকে হারিয়ে দেই। বৃষ্টির ফোঁটা আর আমার চোখের নোনা জল ভিজে এক হয়ে যায়। ব্যর্থ অভিমানে ছুটে যাই আমি গন্তব্যপানে। আমাকে লেখক হতে হবে, হতে হবে অনেক বড়। হতে হবে নামী তোমার থেকেও বেশি। আমার এই ছুটে চলা বৃষ্টিও থামাতে পারবে না। কারণ আমিও যে আজ ব্যর্থ অভিমানে আর মিথ্যা অভিনয়ে তোমার মতই উপরে উঠার সিঁড়ি খুঁজতে শামিল। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো আমার শরীর বেয়ে লুটিয়ে পড়ে মাটিতে।

Thursday, June 11, 2015

রাত দুইটা বাজে তখন। চোখদুটো মাত্র ভালমত নেমে আসবে আসবে করছে। এমন সময় বালিশের নিচে রাখা ফোনের ভাইব্রেশনে ঘুম গেল ভেঙ্গে! unsure emoticon কয়েকটা মিসকল আসলো পাঁচ সাত মিনিট অন্তর অন্তর। পরে যখন ডাইরেক্ট ফোন দিল তখন রিসিভ করলাম।
-হ্যালো।কে বলছেন?
: (কোন সাড়াশব্দ নেই)
-হ্যালো?
: (এবারো চুপ)
-হ্যালো!
: (চুপ।কোন কথা নেই)
-আপনার কি দাতে পোকা নাকি মুখে গন্ধ? কথা বলছেন না কেন?
বলেই ফোন রেখে দিলাম।বিশ পচিশ মিনিট পেরিয়ে গেল তারপর। রাত প্রায় পৌনে তিনটার দিকে আবারো ফোন! আবারো রিসিভ করলাম।
-এবার কি দাত মেজে এসেছেন?
:আচ্ছা আপনি কি খুব কিপ্টা? (মেয়ে ভয়েজ unsure emoticon )
-কে আপনি?
:(চুপ)
-হ্যালো?
:জ্বী শুনছি।ভাইয়া আমাকে একটু ব্যাক করেন না প্লিজ! ফোনটা কেটে যাবে।ব্যালেন্স শেষের দিকে।
-ব্যালেন্স শেষ হওয়ার আগেই বলুন কি বলবেন। এই বান্দা জিন্দেগীতেও ফোন ব্যাক করবেনা।
:আপনি আসলেই কিপ্টামিতে নোবেল পাবেন!
বলেই কেটে দিল।কিছুক্ষন পর আবার অন্য নম্বর দিয়ে ফোন!
-হ্যালো?
:ভাইয়া আম্মুর ফোন দিয়ে ফোন দিলাম।
-কেন ফোন দিলেন?
:কেন, খুব অপরাধ করে ফেলেছি মনে হচ্ছে!
-এত রাতে আরেকজনের ঘুম হারাম করা অপরাধের পর্যায়েই পড়ে।আমি কিন্তু এখনো বুঝতে পারছিনা যে আপনি কে? (রেগেই গিয়েছিলাম অনেকটা)
:আপনার কথাবার্তার ধরন শুনে মনে হচ্ছেনা যে আপনিই শুভ।
-(এইবার আমি একটু নড়েচড়ে বসলাম!) আপনি কে বলুনতো!
:আমি শুভর ফেসবুক ফ্রেন্ড। এটা কি শুভর নাম্বার না?
-হ্যাঁ এটা শুভর নাম্বার। আর আপনি তার সাথেই কথা বলছেন।
:আপনি এত ভাল ভাল পোস্ট লিখেন। কিন্তু কথাবার্তা এরকম কেন?
-আপনি আমার নাম্বার পেয়েছেন কোথায়?
:আপনার আগের আইডিতে একসময় ফোন নম্বর প্রাইভেসী ফ্রেন্ডস অনলি করা ছিল বোধহয়। তখন সেভ করে রেখেছিলাম। আপনার আগের নাম Soukhin Bilas. ভুল বললাম?
-না। কে আপনি?
:খুঁজে বের করেন।
-আমি খুঁজে বের করার পাবলিক না।
:তাহলে জানবারও দরকার নেই।তবুও একটা Hints দিচ্ছি। আপনার বর্তমান আইডিতে আমি আছি।তবে আইডিটি আমার রিয়েল নামে নেই।
-বাবা মায়ের আকীকা করা নামে এত এলার্জি কেন?
:এখন কিন্তু সত্যিই মাথা গরম হয়ে যাচ্ছে আমার!
-ভাল।আর কিছু বলবেন?
:না।আর হ্যাঁ,আপনি এত মেয়েদের বিরুদ্ধে লিখেন কেন?
-এমন কিছু তো লিখেছি বলে মনে পড়ছেনা!
:এই আইডিতে হয়তো লিখেননি। আগের আইডিতে লিখেছিলেন।
-আর কিছু বলবেন?
:না।আপনাকে বলেও লাভ নেই।
-এতক্ষনে বুঝতে পারার জন্যে ধন্যবাদ।
:(চুপ)
-আর কিছু বলবেন?
:না।আর কিছু বলব না। আপনার ঘুমে সমস্যা করার জন্য sorry.. গুড মর্নিং।
-গুড মর্নিং কেন?
:ভোর হতে বেশী বাকি নেই তাই।
বলেই ফোন কেটে দিলো।ভোর পাঁচটার দিকে একটা ম্যাসেজ আসলো। এবার তার আম্মুর নাম্বার থেকে নয়।তার নাম্বার থেকে "Via,ami khub asahoto hoechi apnake phone kore.facebooker apni r jar shathe kotha bollam kono mil pelam na.apnar numberta ami delete korbona.onek din por abar phone dia dekhbo apni facebooker Swokhin (বানান ভুল) hoechen kina.karon ami facebooker Soukhiner fan. Bye.."
মেয়েটা কে আমি এখনো জানিনা।হয়ত এই স্ট্যাটাসেই লাইক দিয়ে যাবে! কমেন্টও হয়তো করবে না ধরা পড়ে যাবে বলে।কারন আমার স্ট্যাটাসে কমেন্ট সংখ্যা হাতেগোনা tongue emoticon । ধরা পড়াটা খুবই স্বাভাবিক। যাই হোক,একটা ব্যাপারে আমি নিজেও খেয়াল করেছি।ফেসবুকে লগিন দেয়ার পরই আমি কেমন যেন হয়ে যাই।মানুষ তার অনুভূতি শেয়ার করে কাছের মানুষের সাথে।আমার কাছের মানুষ ফেসবুক। এটা আমি পুরোপুরি নিশ্চিত।কাছের মানুষগুলোর সাথে মনের কথা শেয়ার করে যেমন স্বস্তি আছে,তেমনি সমস্যাও আছে।কাছের মানুষ যদি কখনো দূরের মানুষ হয়ে যায় তবে সে হয়ে যায় সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারন। কারন সে সমস্থ দুর্বল পয়েন্টগুলো জানে।ফেসবুককে আপন করে নিলে এই আশঙ্কাটা থাকেনা।আমার তাই মনে হয়। ভাল কথা বললেও সে খুশি হয়না,তার উল্টোটা বললেও সে মন খারাপ করেনা।
লগিন করার পর যেন ভেতরের শুভটা বেরিয়ে আসে।আবার লগ আউট করার সাথে সাথে আবার ভেতরের শুভ থেকে বাস্তব শুভতে ফিরে আসি।
দুটো কখনোই এক নয়।একই চরিত্রের দুটো রুপ।একজন খুব ইমোশনাল। আরেকজন খুব রোবটিক...
মেয়েরা যে কেন রোবটের ভেতর ইমশন দিতে চায় বুঝিনা...! tongue emoticon
[অনেক আগের লিখা এটা। মজার বিষয় হচ্ছে,মেয়েটি কিছুক্ষন আগে আমাকে ফোন করেছে। যাচাই করার জন্যে যে আমি ফেসবুকের শুভ হয়েছি কিনা। মেয়েটা হতাশ হয়েছে বোধহয়। শুভ আর শুভ নেই..
একজন বাজে ছেলে হয়ে গিয়েছে... smile emoticon ]